1
1
সুমিত দে, কলকাতা:
ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে ফের বিতর্কের মুখে নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ, খসড়া তালিকার পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকাতেও কারচুপির মাধ্যমে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, নৈহাটি পৌরসভা-র ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত সরকার এবং তাঁর মা আরতী সরকারের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ‘ডিলিট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে—কোন ভিত্তিতে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হল? তাঁরা দীর্ঘদিনের বাসিন্দা ও নিয়মিত ভোটার হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল?
স্থানীয় সূত্রের দাবি, খসড়া তালিকা প্রকাশের সময়ও কিছু অসংগতি ধরা পড়েছিল। অভিযোগ জানানো হলেও চূড়ান্ত তালিকায় সেই সমস্যার সমাধান হয়নি, বরং নতুন করে নাম বাদ যাওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বৃহত্তর একটি প্রবণতার অংশ, যেখানে বেছে বেছে ভোটারদের নাম তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সমালোচকদের প্রশ্ন, ভোটার তালিকা প্রস্তুতির দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ কি যথাযথ যাচাই-বাছাই করছে? নাকি আবারও বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) উপর দায় চাপিয়ে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া হবে?
এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট পরিবার ও তাঁদের সমর্থকরা দ্রুত সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হবে বলেও জানা গিয়েছে।
এদিকে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ভোটের আগে এ ধরনের ঘটনা জনমনে বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ বাড়াতে পারে। কমিশনের তরফে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার স্বার্থে দ্রুত ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জোরদার হচ্ছে।