Popular Posts

নন্দীগ্রামে তৃণমূল শিক্ষক সমাজের মহাসমাবেশ ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শক্তি প্রদর্শন, উন্নয়নের পক্ষে ঐক্যের ডাক

সুমিত দে, মেদিনীপুর:
আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে আয়োজিত হল এক বৃহৎ শিক্ষক সমাবেশ। পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি ও পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় কয়েক হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
কারা উপস্থিত ছিলেন
সভায় উপস্থিত ছিলেন West Bengal Trinamool Secondary Teachers Association-এর রাজ্য সভাপতি প্রীতম কুমার হালদার এবং West Bengal Trinamool Primary Teachers Association-এর রাজ্য সভাপতি মইদুল ইসলাম ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা স্বাতী বিশ্বাস।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সভাধিপতি উত্তম বারিক, তমলুক সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সুজিত রায়, মহিষাদল বিধানসভার বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান হবিবুর রহমান, নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্ব সেখ সুপিয়ান এবং জেলার শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ অপর্ণা ভট্টাচার্য।


নন্দীগ্রাম-১ ও ২ ব্লকের তৃণমূল কোর কমিটির সদস্যরা ছাড়াও তমলুক ও কাঁথি সাংগঠনিক জেলার দুই শিক্ষক সংগঠনের সভাপতিবৃন্দ এবং বিভিন্ন ব্লক ও সার্কেল আহ্বায়করাও সভায় যোগ দেন।
ঐক্যের শপথ ও রাজনৈতিক বার্তা
সভায় বক্তারা এক সুরে জানান, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে বিজেপিকে পরাজিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নমুখী শক্তিকে আরও সুসংগঠিত করার আহ্বান জানানো হয়।
উপস্থিত শিক্ষক সমাজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-র “মা-মাটি-মানুষ” সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সমর্থনে চতুর্থবারের জন্য তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার শপথ নেন।

নন্দীগ্রাম থেকে রাজ্যজুড়ে বার্তা
সমাবেশে উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীরা জানান, শুধু নন্দীগ্রাম নয়, সমগ্র বাংলায় বিজেপির বিরুদ্ধে সংগঠিতভাবে আন্দোলনে নামবেন তাঁরা। শিক্ষা ক্ষেত্রের উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।
এই শিক্ষক সমাবেশকে ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ধরনের সাংগঠনিক কর্মসূচি তৃণমূলের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *