1
1
শ্রেয়া সেনগুপ্ত, নয়া দিল্লি:দেশের শীর্ষ আদালতে শুনানির মাঝেই যেন জমে উঠল এক টুকরো বাঙালি আড্ডা। আর সেই আড্ডার কেন্দ্রে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট-এ বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে আবারও নির্বাচন কমিশনের যুক্তির অসঙ্গতি তুলে ধরেন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। শুনানির সময় বিচারপতিরা স্পষ্ট করেন, এসআইআর সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তিতে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের অজ্ঞতাও এই বিতর্কে সামনে এসেছে বলে মন্তব্য করেন তাঁরা।
দীর্ঘ আলোচনার শেষে বাংলার মানুষের ন্যায্য ভোটাধিকার রক্ষার বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয় শীর্ষ আদালত।
তবে আনুষ্ঠানিক শুনানি শেষ হতেই আদালতের পরিবেশ কিছুটা হালকা হয়ে ওঠে। সদ্য বাংলা থেকে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছেন মেনকা গুরুস্বামী। অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা হলেও বাংলার হয়ে আদালতে তাঁর ধারাবাহিক লড়াইয়ের স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই প্রসঙ্গেই হাস্যরসের সুরে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি মেনকাকে বলেন— এখন যেহেতু তিনি বাংলার সাংসদ, তাই বাংলা ভাষাটাও শেখা উচিত।
বিচারপতির সেই বন্ধুত্বপূর্ণ পরামর্শে মেনকার জবাবও ছিল একই সুরে— তিনি ইতিমধ্যেই বাংলা শেখার চেষ্টা করছেন।
পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান আইনজীবী হিসেবেই পরিচিত মেনকা গুরুস্বামী। বাংলার এসআইআর মামলায় বারবার রাজ্য এবং বাংলার মানুষের পক্ষে শীর্ষ আদালতে সোচ্চার হতে দেখা গেছে তাঁকে। ফলে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার পর বাংলা শেখার বিষয়টি যে তাঁর কাছে গুরুত্ব পাবে, তা বলাই বাহুল্য।