Popular Posts

গান্ধীমূর্তিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে মনোনয়ন পেশ, ‘ঘরের ছেলে’ কুণালকে ঘিরে বেলেঘাটায় জনতার উন্মাদনা

শ্রেয়া সেনগুপ্ত, কলকাতা
নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরকদমে চলছে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন পেশের প্রক্রিয়া। সোমবার প্রথম দফার নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে দ্বিতীয় দফার মনোনয়নও। সোমবার বেলেঘাটা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন সাংবাদিক Kunal Ghosh।
মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিলেই চোখে পড়ে বিপুল জনসমাগম। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ঢল কার্যত প্রমাণ করে দেয়—বেলেঘাটার মানুষের সমর্থন এখনও অটুট রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস ও Mamata Banerjee-এর নেতৃত্বের প্রতি। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক Abhishek Banerjee, সাংসদ Sudip Bandyopadhyay এবং বিদায়ী বিধায়ক Paresh Pal-এর অভিভাবকত্বে নির্বাচনী লড়াইয়ের বার্তা দেন কুণাল ঘোষ।


সোমবার সকালে মনোনয়ন পেশের আগে বেলেঘাটার গান্ধী ভবনে গিয়ে Kunal Ghosh শ্রদ্ধা জানান Mahatma Gandhi-র মূর্তিতে। সেখানে তিনি নিজের মনোনয়নের নথিও গান্ধীমূর্তির পায়ে স্পর্শ করিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর দলীয় কর্মী-সমর্থকদের স্লোগানে মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে জেশপ বিল্ডিংয়ে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন জমা দেন তিনি।
আসন্ন নির্বাচনে বেলেঘাটা কেন্দ্র নিয়ে আত্মবিশ্বাসী কুণাল ঘোষ বলেন,
“এখানে ব্যক্তি কুণাল ঘোষ নয়, আমি শুধুই নিমিত্তমাত্র। আসল লড়াইটা হচ্ছে Mamata Banerjee যে লড়াইটা লড়ছেন—একদিকে বাংলার উন্নয়নের পক্ষে, অন্যদিকে বিজেপির বঙ্গবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার লড়াইও এখন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বৈধ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।”


তিনি আরও বলেন, সারা বাংলায় মানুষ এই লড়াইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর দল এবং তৃণমূল প্রার্থীদের পাশে রয়েছেন।
“আমার ব্যক্তিগতভাবে টেনশনের কোনও কারণ নেই। মাথার উপর রয়েছেন মমতাদি ও অভিষেক। এখানে সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন, বিদায়ী বিধায়ক পরেশদা আছেন। বেলেঘাটার আটটি ওয়ার্ডে আটজন দক্ষ কাউন্সিলর রয়েছেন। সিনিয়র নেতা স্বপন সমাদ্দার, পবিত্র বিশ্বাস, অলোক দাসদের মতো অভিজ্ঞ নেতারা গাইড করছেন। ফলে আমরা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী,” বলেন তিনি।
মনোনয়নের দিন ‘ঘরের ছেলে’ কুণাল ঘোষকে ঘিরে বেলেঘাটায় যে উন্মাদনা দেখা গেল, তা আসন্ন নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সংগঠন ও জনভিত্তির শক্তিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *