1
1
সুমিত দে, উড়িষ্যা: নারী সুরক্ষা নিয়ে বড় বড় কথা বলা Bharatiya Janata Party-র শাসনে আজ মেয়েরা আর কোথাও নিরাপদ নয়—না ঘরে, না পথে, এমনকি স্কুলেও নয়। বিজেপি-শাসিত Odisha-র Kendrapara জেলায় ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনা গোটা দেশকে স্তম্ভিত করেছে।
কেন্দ্রাপাড়ার একটি স্কুলে মাত্র ১২ বছরের এক নাবালিকা ছাত্রীকে টানা দু’বছর ধরে স্কুল ছুটির পর গণধর্ষণ ও পাশবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছে ওই স্কুলের তিনজন শিক্ষক ও এক পিয়ন—যাদের হাতেই শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব ছিল। শুধু তাই নয়, এই ঘৃণ্য অপরাধে এক শিক্ষিকার মদতের অভিযোগও উঠেছে।

সপ্তম শ্রেণির ওই পড়ুয়াকে ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়েছিল, যাতে কোনওভাবে ঘটনা প্রকাশ্যে না আসে। সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো—নাবালিকা নির্যাতনের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের কাছে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। বিজেপির তথাকথিত ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের রাজ্যে অপরাধীদের দাপট এতটাই যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও হয়ে উঠেছে নিরাপত্তাহীন।
এই ঘটনা শুধু একটি জেলার নয়, এটি বিজেপি শাসনের অধীনে দেশজুড়ে মেয়েদের নিরাপত্তার করুণ বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। যেখানে শিক্ষকই ধর্ষক, স্কুলই অত্যাচারের আখড়া, আর প্রশাসন নির্বিকার দর্শক—সেখানে নারী সুরক্ষার বুলি যে কতটা ফাঁপা, তা আর আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই।

নারী বিদ্বেষ, অপরাধে প্রশ্রয় আর প্রশাসনিক ব্যর্থতার এই জঘন্য নজিরের জন্য ধিক্কার জানাতেই হয় এই নারী-বিরোধী শাসনকে।
মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে মিথ্যা প্রচারের মুখোশ খুলে গেছে—এটাই বাস্তব।