1
1
সুমিত দে, Bishnupur:প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন দুই বছর আগে, রবিবার সেই প্রতিশ্রুতিই পূরণ করলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ Abhishek Banerjee। বিষ্ণুপুরের বড় কাছারি শিবমন্দির সংলগ্ন এলাকায় পুনর্নির্মিত দোকানঘরগুলির উদ্বোধন করে মোট ৬০ জন ব্যবসায়ীর হাতে চাবি ও মালিকানার নথি তুলে দিলেন তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই মন্দিরে প্রবেশ করে ভক্তিভরে পুজো দেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। আচার মেনে দেবতার দর্শন করার পর পুরোহিতের কাছ থেকে আশীর্বাদী ফুল গ্রহণ করেন। মন্দিরে ঢোকা ও বেরোনোর সময় উৎসাহী মানুষের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তাঁদের সেলফির আবদারও মেটান সাংসদ। চারদিকে ভেসে ওঠে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান।

প্রসঙ্গত, প্রায় দু’বছর আগে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে যায় বড় কাছারি মন্দির সংলগ্ন একাধিক দোকান। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ই তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, পুড়ে যাওয়া দোকানগুলি নতুন করে গড়ে তোলা হবে।

রবিবার সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন ঘটল। পুনর্নির্মিত পাকা দোকানগুলির ফিতে কেটে উদ্বোধন করার পাশাপাশি প্রতিটি দোকানদারের হাতে চাবি, অ্যালটমেন্ট অর্ডার এবং স্যাংশন অর্ডার তুলে দেন তিনি।
শুধু দোকানই নয়, মন্দির চত্বরে উন্নয়নমূলক একাধিক পরিকাঠামোও গড়ে তোলা হয়েছে সাংসদ তহবিল থেকে। এর মধ্যে রয়েছে ওয়াটার এটিএম, শৌচালয়, ঝরনা, ক্লকরুম এবং মন্দিরে প্রবেশের জন্য দুটি নতুন মূল প্রবেশদ্বার।

নতুন পাকা দোকান পেয়ে আপ্লুত ব্যবসায়ীরা সাংসদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তাঁদের কথায়, আগে কোনওরকমে ছাউনি দেওয়া কুঁড়ে ঘরে ব্যবসা চালাতে হত। এখন স্থায়ী পাকা দোকান পাওয়ায় ব্যবসা আরও ভালো চলবে বলেই আশা তাঁদের। পাশাপাশি নতুন অবকাঠামোর ফলে মন্দিরে পুণ্যার্থীর সংখ্যাও বাড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
চাবি তুলে দেওয়ার পর মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত কর্মচারী ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথাও বলেন সাংসদ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁকে একঝলক দেখার জন্য রাস্তার দু’ধারে ভিড় জমায় বহু মানুষ।