1
1
শ্রেয়া সেনগুপ্ত, কলকাতা:
বাংলায় বিধানসভা ভোটের আগে প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে আদালত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। আইপিএস ও বিডিও-সহ প্রশাসনিক আধিকারিকদের বদলির নির্দেশেও কোনও স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে না।
ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন স্তরে আমলা ও পুলিশ আধিকারিকদের একের পর এক বদলি করছে নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রেই মধ্যরাতে ইমেইলের মাধ্যমে এই নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে। এই রদবদলকে কেন্দ্র করে কমিশনের ‘স্বেচ্ছাচারিতা’র অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অর্ককুমার নাগ।

গত ২৩ মার্চ মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। মামলাকারীর পক্ষে সওয়াল করেন সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি ছিল, নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে এবং প্রশাসনিক রদবদলের ক্ষেত্রে তাদের এক্তিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
মঙ্গলবার শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই প্রশাসনিক রদবদল করা হয়েছে। কমিশনের এই যুক্তিতেই সায় দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এবং জানায়, এই বিষয়ে আদালত হস্তক্ষেপ করবে না। এর পরেই মামলাটি খারিজ হয়ে যায়।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “নির্বাচন কমিশন যে বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে এই পদক্ষেপ করছে তা মানুষের কাছে স্পষ্ট। বাংলার মানুষ ভোটেই এর জবাব দেবে।”