Popular Posts

বাড়তে চলেছে ৯০০ অত্যাবশ্যকীয় ও জীবনদায়ী ওষুধের দাম

শ্রেয়া সেনগুপ্ত, কলকাতা
ফের কপালে ভাঁজ সাধারণ মানুষের। বাড়তে চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয়, অত্যাবশ্যকীয়, জরুরি ও জীবনদায়ী ওষুধের দাম।
জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের পাইকারি মূল্য সূচক বা হোলসেল প্রাইস ইনডেক্স (WPI)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো মূল্য বা ম্যাক্সিমাম রিটেল প্রাইস (MRP) ০.৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছে ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি (NPPA)। বুধবার থেকে প্রায় ৯০০ ফরমুলেশনের ওষুধের দাম বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সোমবার এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে এনপিপিএ।
এর ফলে ওষুধ উৎপাদক সংস্থাগুলিকে আর আলাদা করে সরকারের অনুমতি নিতে হবে না। বাজারে ওষুধের দাম বাড়া এখন কার্যত সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে।


স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়তে পারে দেশজুড়েই। পেইনকিলার, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টাসিড, ডায়াবিটিসসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের দাম বাড়তে পারে। ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের চিকিৎসার খরচ যে আরও বাড়বে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অনেকে।
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, অত্যাবশ্যকীয় ও জীবনদায়ী ওষুধের ক্ষেত্রে যে ছাড় বা নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত, তা কার্যত নেই। পাশাপাশি এই মূল্যবৃদ্ধির উপরও কোনও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি। সমালোচকদের মতে, এতে রোগীদের তুলনায় ওষুধ উৎপাদক সংস্থাগুলির লাভের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
যদিও সরকারের তরফে ১ শতাংশের কম মূল্যবৃদ্ধিকে ‘স্বাভাবিক’ বলে মনে করা হচ্ছে, তবুও বাস্তবে এর বাড়তি চাপ পড়বে রোগীদের উপরই। এর ফলে পাইকারি ও খুচরো বিক্রেতাদের পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে সাধারণ মানুষকেও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *