1
1
শ্রেয়া সেনগুপ্ত, মুর্শিদাবাদ
দলবিরোধী কাজ করলে কোনও বড় নেতাকেই রেয়াত করা হয় না তৃণমূল কংগ্রেসে—এ কথা একাধিকবার প্রমাণ করেছেন তৃণমূল নেত্রী Mamata Banerjee। যে নেতার কাজে দলের সম্মানহানি হয়, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে তিনি বরাবরই পিছপা হন না। ফরাক্কার বিধায়ক Manirul Islam-এর ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হল না।
দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে ফরাক্কা থেকে আবারও মনোনয়ন জমা দিয়েছেন মনিরুল ইসলাম। সেই প্রেক্ষিতেই সামশেরগঞ্জের জনসভা থেকে তাঁকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন দলনেত্রী। একদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন, অন্যদিকে তা না করলে দল থেকে সাসপেন্ড করার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন ফরাক্কার বিডিও অফিসে নজিরবিহীন হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে নাম জড়ায় স্থানীয় বিধায়ক মনিরুল ইসলামের। ঘটনার পর দলের তরফে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছিল। এদিকে এবারের নির্বাচনে ফরাক্কা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করা হয়েছে Amirul Islam-কে।
এই পরিস্থিতিতেও মনিরুল ইসলাম মনোনয়ন জমা দেওয়ায় দলনেত্রীর স্পষ্ট বার্তা,
“ফরাক্কায় আমরা তাঁকে টিকিট দিইনি। শুনছি তিনি নাকি দাঁড়িয়েছেন। আমি তাঁকে অনুরোধ করব, তিনি যেন দলের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। আর যদি না করেন, তাহলে চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সাহেবকে বলে যাচ্ছি—তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হবে।”
বিডিও অফিসে হামলার ঘটনার পরেও মনিরুল ইসলামের তরফে ক্ষমা চাওয়ার কোনও নজির নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সেই কারণেই এবার নতুন প্রার্থী হিসেবে আমিরুল ইসলামকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তৃণমূল নেত্রী।
মমতার কথায়, “আমার আমিরুলকে দরকার। দলে থেকে দলের বিরোধিতা করলে সেটা মানা যায় না। টিকিট না পেলেই অনেকে রাগ করেন। কিন্তু একটা আসনে তো একজনই টিকিট পাবে। যে কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে, বুথে বসে, এজেন্ট হয়ে কাজ করে—তাঁরাও তো দলের সম্পদ।”
সামশেরগঞ্জের সভা থেকে দলের নীতিও স্পষ্ট করে দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর বক্তব্য, “যে কাজ করবে, যে মানুষের পাশে থাকবে, সেই টিকিট পাবে। কিছু ক্ষেত্রে বয়স বা শারীরিক সমস্যার মতো বিষয় থাকতে পারে। কিন্তু যাঁরা দলকে অসম্মান করবেন, তাঁদের রেয়াত করা আমাদের কাজ নয়। তাহলে মানুষও আমাদের ক্ষমা করবে না।”
শেষে তিনি বলেন, “নির্বাচনটা রাজনৈতিক যুদ্ধ। এই যুদ্ধে আমি যদি যোদ্ধা হই, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা আমার