1
1
বঙ্গ Live কলকাতা, নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজেকে আর “অভয়ার মা” বা “অভয়ার বাবা” পরিচয় দিয়ে ভোট না চাওয়ার আবেদন জানিয়ে তীব্র সমালোচনা উঠল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সমালোচকদের দাবি, অভয়া কোনও নির্দিষ্ট পরিবারের নয়—সে ছিল গোটা সমাজের কন্যা। অভয়ার বিচারের দাবিতে যখন সাধারণ মানুষ রাত জেগে আন্দোলনে নেমেছিল, তখন তারা কোনও দল বা মতাদর্শ দেখেনি; তারা রাস্তায় নেমেছিল শুধু একজন মেয়ের ন্যায়বিচারের দাবিতে।
এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, আজ সেই আন্দোলনের আবেগকে সামনে রেখে রাজনীতির ময়দানে নামা কতটা যুক্তিযুক্ত। সমালোচকদের বক্তব্য, যদি সত্যিই অভয়ার বিচারের লক্ষ্যেই আন্দোলন হত, তাহলে কোনও রাজনৈতিক দলের পতাকা তলে নয়, নির্দল প্রার্থী হিসেবেও মানুষের সমর্থনে জয়ী হওয়া সম্ভব ছিল।
একইসঙ্গে প্রশ্ন তোলা হয়েছে রাজ্য সরকারের দেওয়া ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও। সমালোচকদের অভিযোগ, রাজনৈতিক অবস্থান বদলের মধ্য দিয়ে আন্দোলনের মূল লক্ষ্য থেকে সরে আসা হয়েছে।
এছাড়াও যে দলের হয়ে বর্তমানে ভোটের প্রচারে নামা হয়েছে, সেই দলের বিরুদ্ধে অতীতে বিভিন্ন বিতর্কিত ঘটনার অভিযোগ রয়েছে বলেও কটাক্ষ করা হয়েছে। সেই কারণেই আন্দোলনের নৈতিক অবস্থান বজায় রাখতে “অভয়ার মা” পরিচয়ের বদলে সরাসরি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়ার দাবি উঠেছে।
সমালোচকদের মতে, যদি আন্দোলনের উদ্দেশ্য সত্যিই ন্যায়বিচার হতো, তাহলে কোনও সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে হাত মেলানো হতো না। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমাজের একাংশে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি