1
1
নিজস্ব সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার/জলপাইগুড়ি:
আলিপুরদুয়ার জেলার আলিপুর শহরের বাসিন্দা এবং বর্তমানে জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের বিডিও প্রসেনজিৎ কুন্ডুর নাম সদ্য প্রকাশিত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য, এর আগে তিনি কোচবিহার জেলার কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকের বিডিও পদেও দায়িত্বে ছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রকাশিত তালিকায় তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের—বাবা, মা ও স্ত্রীর—নাম থাকলেও কেবলমাত্র তাঁর নামই ‘ডিলিটেড’ দেখানো হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই ভোটার তালিকার যথার্থতা ও ত্রুটি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত এক বিডিও পদমর্যাদার আধিকারিকের নাম যদি তালিকা থেকে বাদ পড়ে, তবে সাধারণ ভোটারদের ক্ষেত্রে কী পরিস্থিতি হতে পারে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ‘অ্যাডজুডিকেটেড’ বা যাচাইাধীন ভোটারদের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নথি যাচাই প্রক্রিয়ার ধীরগতির অভিযোগ সামনে আসছে।
এই প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠছে—নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এত সংখ্যক ভোটারের নথি যাচাই করা আদৌ সম্ভব হবে কি? যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বা ঝুলে রয়েছে, তাঁদের দায়ভার কি নির্বাচন কমিশন নেবে?
বিরোধী রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ভোটার তালিকায় এই ধরনের গলদ কেবল প্রশাসনিক ত্রুটি নয়, এর নেপথ্যে অন্য উদ্দেশ্যও থাকতে পারে। যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শাসক-বিরোধী উভয় শিবিরই বিষয়টি নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে শুরু করেছে। ভোটার তালিকা সংশোধন ও যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও উৎকণ্ঠা বাড়ছে।