1
1
সুমিত দে, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর অনুপ্রেরণায় স্বনির্ভর বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ‘মা-মাটি-মানুষ’-এর সরকার আরও এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিল। পশ্চিমবঙ্গ সরকার-এর জনমুখী প্রকল্প যুবসাথী প্রকল্প-এর নতুন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সাধারণ মানুষের জন্য।
রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই এই উপলক্ষে রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। তারই অঙ্গ হিসেবে ১৪৯ কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্প চলছে ধারাবাহিকভাবে। আজ প্রকল্পের সপ্তম দিনে গীতাঞ্জলী স্টেডিয়ামে যুবসাথী প্রকল্পের কাজে অংশগ্রহণ ও উৎসাহের এক উজ্জ্বল চিত্র ধরা পড়ে।

যুবসমাজকে আর্থিক সহায়তা ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিতে এই প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে কবে কবে ফর্ম বিতরণ ও রেজিস্ট্রেশন হবে—সে সংক্রান্ত তথ্য জানতে সাধারণ মানুষকে নিকটবর্তী পৌরপ্রতিনিধির কার্যালয়ে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে। বিশেষ করে ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরমাতা লিপিকা মান্না-র সঙ্গে কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয়, ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরমাতা লিপিকা মান্না সারা বছর ধরেই সাধারণ মানুষের স্বার্থে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছেন। নাগরিক পরিষেবা, সামাজিক সহায়তা ও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তাঁর উদ্যোগ এলাকাবাসীর কাছে প্রশংসিত। যুবসাথী প্রকল্পের রেজিস্ট্রেশনেও তাঁর নেতৃত্বে সহায়তা ও সমন্বয় কাজকে আরও গতিশীল করেছে।
এছাড়াও, নাগরিকদের সহায়তার জন্য নবপল্লী কার্যালয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট থেকে খোলা থাকবে। প্রকল্প সংক্রান্ত যে কোনও তথ্য, সহায়তা বা রেজিস্ট্রেশনের বিষয়ে সেখানেই যোগাযোগ করা যাবে।
সব মিলিয়ে, যুবসাথী প্রকল্পের এই নতুন পর্ব রাজ্যের যুবসমাজের কাছে এক বড় আশার বার্তা—স্বনির্ভর বাংলার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে চলল মা-মাটি-মানুষের সরকার।