1
1
শ্রেয়া সেনগুপ্ত কলকাতা:দেশজুড়ে বড়সড় প্রশাসনিক রদবদল। শুধুমাত্র ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গই নয়, তামিলনাড়ু, হিমাচল প্রদেশ, লাদাখ-সহ মোট ৯ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে রাজ্যপাল ও লেফটেন্যান্ট গভর্নর পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁর জায়গায় নতুন রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আর এন রবিকে। ফলে তামিলনাড়ুতেও নতুন দায়িত্বভার নির্ধারণ করা হয়েছে।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কোথায় কী পরিবর্তন হল—
দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনাকে লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
তারানজিৎ সিং সান্ধুকে দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর করা হয়েছে।
হিমাচল প্রদেশের রাজ্যপাল শিব প্রতাপ শুক্লাকে তেলেঙ্গানার রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
তেলেঙ্গানার রাজ্যপাল জিষ্ণু দেব বর্মাকে মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল করা হয়েছে।
নন্দ কিশোর যাদবকে নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইনকে বিহারের রাজ্যপাল করা হয়েছে।
তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আর এন রবিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
কেরালার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর কবিন্দর গুপ্তকে হিমাচল প্রদেশের রাজ্যপাল করা হয়েছে।
এদিকে বাংলার দুয়ারে কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। ঠিক তার আগেই সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁকে কি চাপ দিয়ে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়েছে?
একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে আর এন রবির নিয়োগ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এমন একতরফা সিদ্ধান্ত সংবিধানের মূল ভাবনা ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী।
পদত্যাগের পর এক সংবাদ সংস্থাকে সিভি আনন্দ বোস জানান,
“পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে সাড়ে তিন বছর দায়িত্ব পালন করেছি। আমার কাছে সেটাই যথেষ্ট।”
তবে ঠিক কী কারণে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি প্রাক্তন এই আমলা। আর তাতেই বাড়ছে জল্পনা।