Popular Posts

ধর্মতলায় নগরপালের বার্তা: “এসি ঘরে নয়, রাস্তায় থাকুক পুলিশ”—রাতের কলকাতায় জোরদার সারপ্রাইজ টহল

সুমিত দে,কলকাতা:বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহরের ব্যস্ততম চত্বর ধর্মতলায় হঠাৎই দেখা গেল শীর্ষ পুলিশকর্তাদের উপস্থিতি। নেতৃত্বে Supratim Sarkar। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ট্রাফিক বিভাগের জয়েন্ট সিপি এবং একইসঙ্গে কলকাতা পুলিশের ক্রাইম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত জয়েন্ট সিপি (ক্রাইম) আইপিএস Rupesh Kumar। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সেন্ট্রাল ডিভিশনের ডিসি Indra Mukhopadhyay, এসিপি Prosenjit Bhattacharya, Hare Street Police Station-এর ওসি Satyabrata Dasgupta, সার্জেন্ট Shubhankar Chatterjee-সহ ট্রাফিক ও থানা পুলিশের একাধিক আধিকারিক।
শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে নাকা চেকিং, যানবাহনের কাগজপত্র পরীক্ষা, সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ—সব মিলিয়ে কড়া নজরদারিতে ছিল গোটা এলাকা। অফিস ছুটির ভিড়ের সময়ই এই টহলদারি চালানো হয়, যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি পুলিশের উপস্থিতি অনুভব করতে পারেন।


নগরপালের স্পষ্ট বার্তা—
“পুলিশকে যত বেশি রাস্তায় সাধারণ মানুষ দেখবেন, ততই তাঁদের মনে সাহস বাড়বে। এসি ঘরে বসে নয়, পুলিশকে মাঠে নেমে জনতার সামনে থাকতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি শুধু আস্থাই বাড়ায় না, রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীদের ষড়যন্ত্রও ভেস্তে দেয়। নিয়মিত ও সারপ্রাইজ টহলদারি থাকলে অপরাধ দমন সহজ হয় এবং অপরাধীরা মানসিকভাবে চাপে থাকে।
সূত্রের খবর, সাম্প্রতিক সময়ে শহরের কিছু এলাকায় ছিনতাই ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগের প্রেক্ষিতেই নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি উৎসব ও বিশেষ কর্মসূচিকে সামনে রেখে নিরাপত্তা বলয় আরও মজবুত করার বার্তাও স্পষ্ট।
ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় শীর্ষকর্তাদের সরাসরি উপস্থিতি পুলিশবাহিনীর মনোবলও বাড়ায়—এমনটাই মনে করছেন আধিকারিকদের একাংশ। সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া মিলেছে; অনেকেই বলছেন, “রাস্তায় পুলিশ দেখলে ভরসা বাড়ে।”


সব মিলিয়ে বার্তা একটাই—রাতের কলকাতায় কড়া নজরদারি অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠেই থাকবে পুলিশ, জনতার পাশে—দৃশ্যমান, সক্রিয়, সতর্ক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *