Popular Posts

তিন মন্ত্রেই সাফল্য! ম্যাচ জিতিয়ে সূর্যকে কী পরামর্শ দিলেন সঞ্জু?

অভিমুন্য সেনগুপ্ত, কলকাতা:সাধনা কখনও বিফলে যায় না—ইডেন গার্ডেন্সে যেন সেই কথাই আবার প্রমাণ করলেন Sanju Samson। টি২০ বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে নায়কোচিত ইনিংস খেলে ভারতকে সেমিফাইনালে তুললেন তিনি। দীর্ঘদিনের ব্যর্থতা, সমালোচনা এবং দল থেকে ছিটকে পড়ার হতাশা পেরিয়ে অবশেষে হাসল ভাগ্য।
ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেনে ৫০ বলে অপরাজিত ৯৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন সঞ্জু—যা টি২০ বিশ্বকাপে রান তাড়া করতে নেমে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরের নতুন নজির। তাঁর এই ইনিংসেই কঠিন ম্যাচ জিতে শেষ চারে পৌঁছে যায় ভারত।


সাফল্যের তিন মন্ত্র
ম্যাচ শেষে সম্প্রচারকারী চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের সাফল্যের রহস্য ফাঁস করেন সঞ্জু। তিনি বলেন,
“ফোন বন্ধ করে দিয়েছিলাম। সমাজমাধ্যম থেকে দূরে ছিলাম। নিজের মনের কথা শুনেছি। নিজেকে বিশ্বাস করিয়েছি—আমি পারবই।”
চাপের মুহূর্তে মানসিক দৃঢ়তাই তাঁকে এগিয়ে দিয়েছে বলে জানান এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।
প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার জেতার পর আবেগঘন কণ্ঠে সঞ্জু বলেন,
“এটা আমার জীবনের অন্যতম সেরা দিন। কখনও ভাবিনি এমন বিশেষ কিছু করতে পারব। আমি শুধু নিজের দায়িত্বের দিকেই মন দিয়েছিলাম। এক বল করে এগিয়েছি। রান তাড়া সহজ ছিল না—উইকেট পড়ছিল নিয়মিত, তাই চাপ বাড়ছিল।”
তিনি আরও জানান, শিশির পড়ায় ব্যাটিং কিছুটা সহজ হলেও ম্যাচের পরিস্থিতি মোটেই সহজ ছিল না। দলের ব্যাটিং শক্তি থাকলেও ধৈর্যই ছিল জয়ের চাবিকাঠি।


ড্রেসিংরুমে আবেগঘন মুহূর্ত
ম্যাচ জয়ের পর ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে আবেগঘন দৃশ্য ধরা পড়ে। ভারত অধিনায়ক Suryakumar Yadav টুপি খুলে সঞ্জুকে কুর্নিশ জানান। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, সঞ্জু এগিয়ে এসে অধিনায়ককে জড়িয়ে ধরেন।
সেই মুহূর্তে হাসতে হাসতেই সঞ্জুর মন্তব্য—
“রুলায়েগা ক্যায়া পাগলে?”
জবাবে সূর্যকুমার বলেন,
“অনেক কিছু বলার ছিল, কিন্তু এই মুহূর্তে কী বলব বুঝতে পারছি না!”
ইডেনের সেই রাত শুধু ভারতের জয় নয়—এটি ছিল এক ক্রিকেটারের আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য এবং প্রত্যাবর্তনের গল্প।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *