Popular Posts

ইঞ্জিনের শব্দ ভুলে আকাশেই ঘুম! দীর্ঘ বিমানযাত্রায় আরামে ঘুমোনোর সহজ টিপস

ইঞ্জিনের শব্দ বিমানে, কানে ঢুকবে না যাত্রীদের কথা, উড়ানে আরাম করে কী ভাবে ঘুমোবেন?
বিমানযাত্রা বড়োই ক্লান্তিকর তা যদি দীর্ঘ হয় তো। কিছুটা সময় মেঘ দেখতে ভাল লাগলেও এক সময় তা হয়ে ওঠে ক্লান্তিকর। এমন সময় ঘুমিয়ে নেওয়াই ভাল। কিন্তু কী করবেন ঘুম আনতে?

বিমানে ভালোই লাগে দেড়-দু’ ঘণ্টার যাত্রা। বিমানে উঠে প্রথমে শহরের দৃশ্য তারপরে আকাশ-মেঘ দেখতে দেখতেই সময় পেরিয়ে যায়। তার পরে থাকে টুকটাক খাওয়া-দাওয়া। হেডফোন কানে দিয়ে পছন্দের গান শুনতে শুনতেই কেটে যায় বেশ কিছুটা সময়।

তবে বিমানযাত্রা যদি দীর্ঘ হয় তা বড় ক্লান্তিকর। কিছুটা সময় মেঘ দেখতে দেখতে কেটে গেলেও এক সময় তা হয়ে ওঠে বড়োই ক্লান্তিকর। বিমানে হাঁটাচলারও করা সম্ভবপর নয়। খানিকটা ঘুমিয়ে নেওয়া গেলে ভালোই হয় । তাতে কাটে শরীরের ক্লান্তি। কিন্তু বললেই কি ঘুম আসে? সহযাত্রীরা কথা বলেন নিজেদের মতো। মাঝে মধ্যেই বিমানে চলে নানান ঘোষণা। তবে ঘুম সহজেই আসবে যদি কয়েকটি জিনিস সঙ্গে থাকে।

পোশাক: বিমানে যে পোশাকটি পরে উঠছেন সেটি হওয়া জরুরি ঢিলে ঢালা ও আরামদায়ক। এমন পোশাক পরুন যেটা পরে আরাম বোধ হয়।

আই মাস্ক: আই মাস্ক নরম কাপড়ে তৈরি চক্ষু আবরক, যা দিয়ে চোখ ঢেকে নেওয়া যায় চট করে। বিমানযাত্রায় এই সাধারণ জিনিসটি হতে পারে অনেক কাজের। বিমানের ভিতরে কৃত্রিম আলো, সহযাত্রীদের রিডিং লাইট বা জানলা দিয়ে আসা আলো বাধা দেয় মস্তিষ্কের মেলাটোনিন হরমোন তৈরিতে। ঘুম আনতে সাহায্য করে এই হরমোনটি।

নয়েজ় ক্যানসেলিং হেডফোন: বিমানের ইঞ্জিনের একটা হালকা শব্দ হতে থাকে। তা দীর্ঘক্ষণ কানে গেলে হতে পারে মাথায় ব্যথা। এই শব্দকে নয়েজ় ক্যানসেলিং প্রযুক্তি দ্বারা কমিয়ে যাত্রাটি অনেকটাই আরামদায়ক করে তোলে। তা ছাড়া বিমানযাত্রার সময় উচ্চতা পরিবর্তন কালে অনেকের কান বন্ধ হয়ে যায় বাতাসের চাপের কারণে। কানের পর্দার উপর চাপের প্রভাব কিছুটা কমে যদি ভালো মানের হেডফোন ব্যবহার করা যায়। কানে আসে না সহযাত্রীদের কথাও। ফলে সহজেই ঘুমিয়ে পড়া যায়।

ল্যাভেন্ডার অয়েল: এসেনশিয়াল অয়েলও সঙ্গে রাখতে পারেন। যেমন ল্যাভেন্ডার অয়েল ব্যবহার করা যায় এসেনশিয়াল অয়েল হিসাবে। মন শান্ত করতে সাহায্য করে ল্যাভেন্ডারের গন্ধ।

ট্রাভেল পিলো: ঘাড় যথাস্থানে রাখতে সাহায্য করে ‘ট্রাভেল পিলো’। ঘুমোনোই হোক বা ঘাড় এলিয়ে আরাম করা, খুবই কার্যকরী ট্রাভেলের জন্য তৈরি এই বালিশটি ।

আরামদায়ক পোশাক, চোখে মাস্ক, কানে হেডফোন আর ঘাড়ের কাছে বালিশ থাকলে সহজেই ঘুমিয়ে নেওয়া যাবে বিমানে। পছন্দের এসেনশিয়াল অয়েল সঙ্গে থাকলে মনও হতে পারে ফুরফুরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *