Popular Posts

কমিশন–বিজেপি আঁতাতে আরও এক ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ আধিকারিক! ফাঁস করল তৃণমূল

শ্রেয়া সেনগুপ্ত | কলকাতা
বাংলা দখলের লক্ষ্যেই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক বদলির মাধ্যমে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছে বিজেপি—এমনই অভিযোগ তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার রাজ্যে একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিকের বদলিকে কেন্দ্র করে নতুন করে সরব হল শাসকদল। তৃণমূলের দাবি, রাজ্যের দক্ষ আধিকারিকদের সরিয়ে দিয়ে বিজেপি-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর চেষ্টা চলছে, যাতে নির্বাচনের সময় প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করা যায়।
রবিবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ও তৌসিফ রহমান ‘এক্সপোজ সিরিজ’-এর তৃতীয় পর্বে উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক বিবেক কুমারকে ঘিরে একাধিক তথ্য প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বিবেক কুমারকে ওই পদে বসানো হয়েছে।


কুণাল ঘোষের বক্তব্য, বিবেক কুমারের পারিবারিক রাজনৈতিক যোগসূত্র রয়েছে। তাঁর বাবা বীরেন্দ্র কুমার সিং বিহারের নবীননগরের প্রাক্তন জেডিইউ বিধায়ক এবং ঔরঙ্গাবাদের প্রাক্তন সাংসদ ছিলেন। জেডিইউ এনডিএ জোটের গুরুত্বপূর্ণ শরিক দল হওয়ায় এই নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল।
এর আগেও নির্বাচন কমিশনের বদলি করা একাধিক পুলিশ পর্যবেক্ষক ও সাধারণ পর্যবেক্ষকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে ‘এক্সপোজ সিরিজ’-এ তথ্য প্রকাশ করেছে তৃণমূল। সেই তালিকায় ছিল মালদহের চারটি বিধানসভার পুলিশ পর্যবেক্ষক জয়ন্ত কান্ত, বনগাঁ দক্ষিণের সাধারণ পর্যবেক্ষক অজয় তাটে সারিয়র, গাজোলের সাধারণ পর্যবেক্ষক ধীরজ কুমার, মধ্যমগ্রামের পর্যবেক্ষক অরিন্দম ডাকুয়া এবং বালিগঞ্জের পর্যবেক্ষক গন্ধম চন্দ্রদুর।
তৃণমূলের দাবি, এই ধারাবাহিক তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে স্পষ্ট হচ্ছে যে পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এনডিএ-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদেরই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তবে কুণাল ঘোষ ও তৌসিফ রহমানের দাবি, এই সব পদক্ষেপে বাংলার মানুষের রায় বদলানো যাবে না। তাঁদের কথায়, “বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আস্থা রাখেন। তাই সব চক্রান্ত ব্যর্থ করে আগামী ৪ মে-র পর আড়াইশোর বেশি আসন নিয়ে আবার সরকার গঠন করবে তৃণমূল।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *